নকিয়ার অবস্থা ভাল নয় – বিশ্ব থেকে মুছে যেতে পারে নকিয়ার নাম!

মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নকিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবসা কিনতে যাচ্ছে মাইক্রোসফট এমন সংবাদ হয়তবা শুনেছেন? গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে মাইক্রোসফট এমন তথ্য জানায়। নকিয়া কিনতে মাইক্রোসফটের ব্যয় হবে ৫.৪৪ বিলিয়ন ইউরো। মাইক্রোসফট নকিয়া মোবাইল ফোন কিনেতো নিচ্ছেই সাথে নকিয়ার সিইও স্টিফেন ইলোপও মাইক্রোসফটে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। কি অদ্ভুত দেখে খুব আহতও হলাম আবার একদিক থেকে আনন্দও পেলাম।
প্রথমেই আনন্দ পাওয়ার কারন "নকিয়া মোবাইলের যে দাম ছিল এক সময় তা আর বলার প্রয়োজন নেই অথচ আজ এদের আর দাম নেই কেঁউই কিনে না।" এই জন্যেই হয়তবা কোন একজন বলেছিলেন "হলের মধ্যে দামি রোকেয়া, প্রেমের মধ্যে দামি পরক্রিয়া, মোবাইলের  মধ্যে দামি নকিয়া"। অথচ সেই নকিয়ারই অস্তিত্ত নিয়ে আজ টানা টানি?
নকিয়ার অবস্থা ভাল নয় - বিশ্ব থেকে মুছে যেতে পারে  নকিয়ার নাম!
কস্টের কথাটা হচ্ছে ফিনল্যান্ড ভিত্তিক নোকিয়া এক সময় মোবাইল ফোনের বাজারে আধিপত্য করতো এবং এর পিছনে কারন এই নোকিয়ার দামের পাশাপাশি মান বা কোয়ালিটি।
যা তারা শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রন করে আসছে। আজও মনে আছে আমার নকিয়া ১১০০ দিয়ে পাশের বাসার পোলাডার মাথা ফাডায় দিছিলাম। তারপরও ঐ মোবাইলটা ১১০% -ই ঠিক ছিল। তারপরও মোবাইল ফোনের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে প্রতিষ্ঠানটিকে নিত্যদিন স্যামসাং ও এ্যাপেলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে করতে নকিয়া ক্লান্ত তাই এবার এই প্রতিযোগিতার মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নকিয়ার জন্য শুভকামন রইল। সব শেষে কিছু জ্ঞ্যান বাক্য বলে বিদাই নেই "এই টেকনোলোজির জগতে যে যত দ্রুত টেকনোলোজির পরিবর্তন মেনে নিতে পারবে এবং এই পরিবর্তনের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে সেই ততদিন এর রাজত্ব করবে। তবে পাশাপাশি এ কথায়ও সত্য কোন কিছুই স্থায়ী নয় এর শেষ আছেই আছে। অর্থাৎ সকল কিছুরি একদিন সমাপ্ত হবে।"
নকিয়ার অবস্থা ভাল নয় - বিশ্ব থেকে মুছে যেতে পারে  নকিয়ার নাম!
সবার জন্য আরেকবার শুভ কামনা রইলা, আশা করি টেকনোলোজির সাথে সবাই ভাল থাকবেন - ধন্যবাদ সবাইকে।

যেভাবে সোশাল মিডিয়া পরিবর্তন করে দিচ্ছে প্রচার কিংবা মার্কেটিং প্রথা!

আমি কয়েকটা চিত্রের মাধ্যমে ব্যক্ষা করব (বা করার চেস্টা করব) বর্তমান দুনিয়ায় টিভি, রেডিও, পত্রিকা ইত্যাদি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের চাহিদা দিন দিন কেন হ্রাশ পাচ্ছে এবং অনলাইনের প্রচারের জনপ্রিয়তা কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা যারা এসইও জানি তারা সকলেই জানি শুধুমাত্র ১ থেকে ২ মাস পরিস্রম করে কিভাবে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান কে ২০,০০০ থেকে ২ লক্ষ অথবা তারও অধিক মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলা যায়। এসইও-এর ব্যাপারে পরে বলছি।
যেভাবে সোশাল মিডিয়া পরিবর্তন করে দিচ্ছে প্রচারের (ব্রান্ডিং-এর) ধরন!   আমি কয়েকটা চিত্রের মাধ্যমে ব্যক্ষা করব (বা করার চেস্টা করব) বর্তমান দুনিয়ায় টিভি, রেডিও, পত্রিকা ইত্যাদি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের চাহিদা দিন দিন   কেন হ্রাশ পাচ্ছে এবং অনলাইনের প্রচারের জনপ্রিয়তা কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আমরা যারা এসইও জানি তারা সকলেই জানি   শুধুমাত্র ১ থেকে ২ মাস পরিস্রম করে কিভাবে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান কে ২০,০০০ থেকে ২ লক্ষ অথবা তারও অধিক   মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলা যায়। এসইও-এর ব্যাপারে পরে বলছি।
সোসাল মিডিয়া হচ্ছে এই এসইও এরই একটি বড় অংশ। আজ শুধু এই এসইও-এর এই গুরুত্তপুর্ন অংশটাকেই নিয়ে আলোচনা করব। অর্থাৎ আজকের আলোচনার মূল বিষয় "দিন দিন কিভাবে সোশাল মিডিয়া পরিবর্তন করে দিচ্ছে প্রচারের (ব্রান্ডিং-এর) ধরন!"
১) নিম্নের চিত্রে স্পস্ট ভাবে দেখানো হয়েছে পৃথিবীর কত মানুষ কোন সোশাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত রয়েছে। ধরুন শুধু ফেসবুকের কথাই আজ এই পৃথিবীর মোট ৭৫০,০০০,০০০ এর অধিক মানুষ এই ফেসবুকের সাথে যুক্ত! ভাবতে পারেন পৃথিবীর আর এমন কোন মাধ্যম বা স্থান আছে যেখানে এক সাথে এত মানুষ রয়েছে? অর্থাৎ ফেসবুকে কিংবা অন্নান্য সোশাল মিডিয়াতে অ্যাড দেওয়া নিংসন্দেহে লাভের। তাই ফেসবুক আজ ছোট বড় সকল প্রতিষ্ঠানের প্রচারের বা ব্রান্ডিং-এর প্রধান হাতিয়ার!
যেভাবে সোশাল মিডিয়া পরিবর্তন করে দিচ্ছে প্রচারের (ব্রান্ডিং-এর) ধরন!   আমি কয়েকটা চিত্রের মাধ্যমে ব্যক্ষা করব (বা করার চেস্টা করব) বর্তমান দুনিয়ায় টিভি, রেডিও, পত্রিকা ইত্যাদি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের চাহিদা দিন দিন   কেন হ্রাশ পাচ্ছে এবং অনলাইনের প্রচারের জনপ্রিয়তা কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আমরা যারা এসইও জানি তারা সকলেই জানি   শুধুমাত্র ১ থেকে ২ মাস পরিস্রম করে কিভাবে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান কে ২০,০০০ থেকে ২ লক্ষ অথবা তারও অধিক   মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলা যায়। এসইও-এর ব্যাপারে পরে বলছি।
২) পৃথিবীতে কোন কোন দেশগুলতে ফেসবুক ব্যবহারের দিন দিন দ্রুত হাঁরে বাড়ছে তার একটা চিত্র গ্রাফ আঁকারে দেওয়া হল নিম্নের ছবিতে।
যেভাবে সোশাল মিডিয়া পরিবর্তন করে দিচ্ছে প্রচারের (ব্রান্ডিং-এর) ধরন!   আমি কয়েকটা চিত্রের মাধ্যমে ব্যক্ষা করব (বা করার চেস্টা করব) বর্তমান দুনিয়ায় টিভি, রেডিও, পত্রিকা ইত্যাদি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের চাহিদা দিন দিন   কেন হ্রাশ পাচ্ছে এবং অনলাইনের প্রচারের জনপ্রিয়তা কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আমরা যারা এসইও জানি তারা সকলেই জানি   শুধুমাত্র ১ থেকে ২ মাস পরিস্রম করে কিভাবে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান কে ২০,০০০ থেকে ২ লক্ষ অথবা তারও অধিক   মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলা যায়। এসইও-এর ব্যাপারে পরে বলছি।
৩) নিম্নের চিত্রে সুন্দর ভাবে গ্রাফ আঁকারে দেখান হয়েছে কোন কোন প্লাট ফর্মে ফেসবুকের ব্যবহার কারিরা দিন দিন বাড়ছে।
যেভাবে সোশাল মিডিয়া পরিবর্তন করে দিচ্ছে প্রচারের (ব্রান্ডিং-এর) ধরন!   আমি কয়েকটা চিত্রের মাধ্যমে ব্যক্ষা করব (বা করার চেস্টা করব) বর্তমান দুনিয়ায় টিভি, রেডিও, পত্রিকা ইত্যাদি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের চাহিদা দিন দিন   কেন হ্রাশ পাচ্ছে এবং অনলাইনের প্রচারের জনপ্রিয়তা কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আমরা যারা এসইও জানি তারা সকলেই জানি   শুধুমাত্র ১ থেকে ২ মাস পরিস্রম করে কিভাবে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান কে ২০,০০০ থেকে ২ লক্ষ অথবা তারও অধিক   মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলা যায়। এসইও-এর ব্যাপারে পরে বলছি।
৪) এই চিত্রে আমরা মজার একটি তথ্য দেখতে পাচ্ছি। একটু খেয়াল দেখুন করে নিম্নের ছবিতে দেখা যাচ্ছে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ছবি শেয়ার করতে সবচেয়ে বেশী ভালবাসে। দ্বিতীয়তে রয়েছে লিংক। ভাবতে অবাক লাগে মাত্র ১০% মানুষ স্টাটাস শেয়ার করে। অর্থাৎ একটা ব্যাপার হয়ত সবার কাছেই পরিষ্কার যে ফেসবুক আজ ৬৫% - ৭০%-ই শুধু মার্কেটিং এর কাজে ব্যবহার হয়।
যেভাবে সোশাল মিডিয়া পরিবর্তন করে দিচ্ছে প্রচারের (ব্রান্ডিং-এর) ধরন!   আমি কয়েকটা চিত্রের মাধ্যমে ব্যক্ষা করব (বা করার চেস্টা করব) বর্তমান দুনিয়ায় টিভি, রেডিও, পত্রিকা ইত্যাদি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের চাহিদা দিন দিন   কেন হ্রাশ পাচ্ছে এবং অনলাইনের প্রচারের জনপ্রিয়তা কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আমরা যারা এসইও জানি তারা সকলেই জানি   শুধুমাত্র ১ থেকে ২ মাস পরিস্রম করে কিভাবে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান কে ২০,০০০ থেকে ২ লক্ষ অথবা তারও অধিক   মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলা যায়। এসইও-এর ব্যাপারে পরে বলছি।
আশা করি সবাই বুজতে পারছেন। প্রচার, ব্রান্ডিং অথবা এসইও যাই বলেন না কেন সোশাল মিডিয়াগুলো এর অন্যতম গুরুত্তপুর্ন বিষয়। সোশাল মিডিয়াই পরিবর্তন করে দিচ্ছে মার্কেটিং, প্রচার অথবা ব্রান্ডিং এর ধারা বা প্রথা। ধন্যবাদ লিখাটি পড়ার জন্য। জানি এই লিখাটা সবার খুব বেশী ভাল লাগবেনা তাই অগ্রিম দুঃখিত। তবে কিছু পাঠক যারা আমার মূল বিষয়টা বুজতে পেরেছেন আশা করি তাদের ভাল লাগবে।
এই পোস্টের কমেন্টে সবাই লিখা সম্পর্কে মতামত দিতে পারেন সাথে সাথে এসইও, প্রচার, ব্রান্ডিং অথবা সোশাল মিডিয়া সম্পর্কে যেকোন মন্তব্য করতে পারেন।

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক থেকে বাঁচান! পেন্ডিং ফ্রেন্ড রিকু দেখেনিন!

ফেসবুকে অতিরিক্ত বা বেশী আকারে যদি আপনার পাঠানো ফ্রেন্ড রিকুয়াস্ট পেন্ডীং অবস্থায় থাকে তবে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক হবার যথেস্ট সম্ভবনা রয়েছে। হতে পারে আপনি ২ বছর আগে কেঁউকে ফ্রেন্ড রিকুইয়াস্ট পাঠিয়েছিলেন অথচ তা আজও পেন্ডিং রয়েছে। কিন্তু অদ্ভুত হলেও সত্য ফেসবুক পেন্ডিং ফ্রেন্ড রিকুইয়াস্ট দেখার কোন ব্যবস্থাই রাখেনি। তাই আপনার মনের অজান্তেই থাকতে পারে অনেক অনেক পেন্ডিং ফ্রেন্ড রিকুইয়াস্ট যা হতে পারে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক হবার জন্য যথেস্ট! আজ এখানে এমনই একটা আপস নিয়ে আলোচনা করব যার মুল কাজই হচ্ছে " পেন্ডিং ফ্রেন্ড রিকুইয়াস্ট" খুঁজে বের করা! হুম্ম জানি বলতে পারেন এমন অনেক আপস আছে কিন্তু ৮০% আপস-ই দেখিছি কোন কাজই হয় না! যাক কথা না বাড়িয়ে কাজ শুরু করা যাক!

প্রথমেই আপনি "http://pfr.5social.com/" এই লিংকে ক্লিক করুন (এ সময়ে আপনার অবশ্যই ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ-ইন অবস্থায় থাকতে হবে) অতঃপর দেখুন একটি অপশন আছে পেন্ডিং ফ্রেন্ড রিকুইয়াস্ট নামে ওটাতে ক্লিক করুন (চিত্র-১)। এবার আপনাকে Find Past Request বাটনে ক্লিক করতে হবে (চিত্র-১)। এর পর নতুন একটা পেজ দেখতে পাবেন ঐখান থেকে "Get Friend Rquest Data" বাটনে ক্লিক করতে হবে। একটা নতুন উইন্ডোতে পেজটি ওপেন হবে। এখন এই পেজের সকল লিখা (কিবোর্ডের) "CTRL+A" দিয়ে সিলেক্ট করে "CTRL+C" দিয়ে কপি করে নিন। এবার ৩ নং বক্সে "CTRL+V" দিয়ে পেস্ট করে দিয়ে "Get Past Request" বাটনে ক্লিক করেন। ব্যছ হয়ে গেল। এবার আপনি পেয়ে যাবেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-এর জন্ম থেকে পাঠানো সকল পেন্ডিং ফ্রেন্ড রিকুইয়াস্ট ! ধন্যবাদ!

(চিত্র-১)
(চিত্র-২)

টং দোকানে সফটওয়্যার – টেকনোলোজির ছোঁয়া এখন সর্বত্র

ধরুন আপনি একটি অপরিচিত এলাকায় গেলেন এবং আপনার মোবাইলে ব্যালেন্স করার খুব প্রয়োজন হল। অনেক খুজা খুজির পর আপনি একটি সাইন বোর্ড দেখতে পেলেন "এখানে রিচার্জ করা হয়" সেখানে গিয়ে শুধু দেখলেন একটা পিসি নিয়ে বসে আছে একটা ছেলে, তাকে আপনার নাম্বার বলতেই আপনার মোবাইলে মুহুর্তের মধ্যে রিচার্জ হয়ে গেল। তবে কি আপনি অবাক হবেন? আবার ধরুন আপনি দেখতে পেলেন "এখানে রিচার্জ করা হয়" সাইন বোর্ডটি, কাছে গিয়ে (আপনার মোবাইলে) নাম্বারটা লিখার জন্য কলম চাইলেন অথচ আপনাকে একটি কি-বোর্ড এগিয়ে দিয়ে বলল নাম্বারটি টাইপ করুন এবং সাথে সাথে আপনার মোবাইলে কাংক্ষিত ব্যালেন্স পৌঁছে গেল! তাহলে কি অবাক হবেন?
এবার ফিরে আসি মুল কথায় মাত্র দু-চার বছর পুর্বেও মোবাইল রিচার্জ করার জন্য দোকান খুঁজে পেতে কষ্ট হত অথচ আজ ভাবতে অবাক লাগে মোবাইল রিচার্জের এই ক্ষুদ্র দোকানগুলোও সফটওয়ার ব্যবহার করে। দুদিন আগের ঘটনা আমাই একটা কাজে মিরপুর বেরিবাদে (সুইস-গেটে) যাই ঐখানে হঠাৎ-ই মোবাইলে ব্যাল্যান্সের খুব প্রয়োজন হয়। ফুটপাতের পাসে বসে থাকা শুধু একটি কম্পিউটারই তার দোকান! এই একটি মাত্র কম্পিউটার এবং নির্দিস্ট ঐ সফটওয়ারটির মাধ্যমে সে একই সাথে ৫/৬ টি সিমে লোড দিচ্ছে, পাশাপাশি বিকাশ এবং ডিবিবিএল লোড দিচ্ছে এবং গ্রহন করছে। প্রথম দেখাতে আমার কৌতূহলের মাত্রা ছিল ভীষণ! আমি বেশ কিছুক্ষন দারিয়ে সব দেখি এবং এক মুহুর্তের ছেলেটিকে জানতে চাই সফটওয়ারটির ব্যবহার করে তার কি লাভ হচ্ছে। আর না হলেও কমকরে ১০০+ লাভ বল ফেলে এক নিশ্বাসে। আরও অবাক করা ব্যপার হচ্ছে তার কালইনটরা বা কাস্টমাররা তাকে অনলাইনেও রিচার্জ রিকুয়েস্ট পাঠাচ্ছে ঘরে থেকে বসেই!
অনেকেই ভাবছেন ব্যপারটা তেমন আর কি? তাইতো? বুজানোর সার্থে দু-তিনটা লাইন লিখছি বাংলাদেশে শুধু গভমেন্ট সেক্টর নয় অনেক অনেক প্রাইভেট ডেভেলপার ফার্মও আছে যারা তাদের নিজেদেরকে আধুনিকতার শির্শে বলে দাবী করে থাকলেও নিজেদের প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েবসাইটি নেই আর সফটওয়ার তো তারা বুজেনি না এটা কি? ভাবতে হাসি লাগে অনেক সরকারি/বেসরকারি ব্যাংকও আজ তাদের দৈনন্দিন হিসাব করে খাতা-কলমে। তারা আজও টেকনোলোজি গ্রহন করতে পারছে না। অথচ সেই দেশেরই ফুটপাতে যদি এমন সফটওয়ার-এর ব্যবহার দেখি তবে কি অবাক হব না?
আমি ইজিলোডবিডি কিংবা অটোলোড নামক ওয়েব-সাইট গুলো অনেক আগেই দেখেছি যেখান থেকে যে কেঁউ রিচার্জ করতে পারে কিন্তু এই সফটওয়্যার কিংবা সিস্টেমটি যে একটা ফুটপাতের দোকানে ব্যবহার হতে পারে তা ভাবতে পারিনি। তাই আরও কোইতুহল বেরে গেল আসলে এই সফটওয়ারের কি লাভ? বা কত লক্ষ টাকা দিয়েই বা কিনলো এই সফটওয়ার? একটা টং দোকানের জন্য কত টাকাই বা ইনভেস্ট/লঘ্নি করে মানুষ?
যে দেশের ব্যংকের ওয়েবসাইট বানানোর প্রয়োজন হয় না সে দেশের টং দোকানের রয়েছে একটি ওয়েবসাইট তাও আবার অ্যাপ্লক্যশন কিংবা সফটওয়ার বেস একটি ওয়েব-সাইট? এটা কি অবাক হবার নয়?
তারচেয়েও অবাক কর ব্যাপার হচ্ছে মোবাইল রিজার্জ করার ছোট এই দোকানদার তার সফটওয়ারটি ব্যবহার করে মুহুর্তের মধ্যে বলে দিতে পারছে আপনি কত টাকা কখন রিজার্জ করেছেন, এই দোকান থেকে সারা জীবনে কতবার রিজার্জ করেছেন!

যাক কোইতুহল থেকেই খোঁজ করা শুরু করলাম সফটওয়ারটির ব্যবহারের মুল কারনগুলো। এই সফটওয়ারটি ফ্লেক্সি-লোড সফটওয়ার নামেই বেশী পরিচিত। ফ্লেক্সি-লোড সফটওয়ার একটি অনলাইন বেস সফটওয়ার। আরও খোঁজ খবর নিয়ে জানলাম এই সফটওয়ারটির মুল্য মাত্র ২০,০০০-৩০,০০০ টাকা। পাচটা মোডেম এবং ওয়েব-সাইট (ডিজাইন+হোস্ট+ডোমেইন) সহ ৩৫,০০০-৪৫,০০০ টাকা।

এর মধ্যে ঘটে যায় আরও মজার একটা ব্যাপার আমি আমাদের এলাকার এক বড় ভাই ঊনার মোবাইল রিচার্জের দোকান আছে, উনাকে সম্পুর্ন ঘটনা খুলে বললাম এবং উনি এতটাই পজেটিভ হলেন যে দুদিনের মধ্যে সফটওয়ার কিনে তার দুটি মোবাইলের দোকানই ডিজিটাল করে ফেলল। আপনি চাইলে দেখে আসতে পারেন ভাইয়ার সেই ডিজিটাল দোকান দুটা। গ্যারান্টি দিচ্ছি অবাক হবেন। কল্যাণপুর, বাস স্ট্যান্ড, জননী পয়েন্ট।

মুল কথাঃ হয়ত বা আমাদের দেশে টেকনোলোজির ছুঁয়া এখন সর্বত্র ছড়িয়ে যায়নি, কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে টেকনোলোজির ছুঁয়া সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। দু থেকে তিন বছরের মধ্যে নিশ্চিত করে বলা যায় দেশের ৬৫%-৭৫% টেকনোলোজির উপর নির্ভরশীল হয়ে যাবে। এমন দিন হয়ত আর বেশী দূরে নয় যেদিন আমরা আমরা আমাদের এলাকার মুদীর দোকানগুলার ওয়েব-সাইট থেকে পন্য ক্রয় করব। ই-কমার্স সাইটগুলো থেকে বাজার করব। আর অনালাইনে মার্কেটিং? তাতো এখনই করছি আমরা। তাই টেকনোলোজির সুবিধা যারা আজও অস্বীকার করে কিংবা টেকনোলোজির বিকল্প খুঁজতে চেস্টা করছেন তাদের জন্য ভয়ংকর একাকিত্তের সময় আসছে?
এই লিখাতে আমি টেকনোলোজির প্রয়জনিয়তা কিংবা ভবিষ্যৎ ফুটিয়ে তুলার চেস্টা করেছি। সকল ভুল ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল! তবে যুক্তিমূলক সমালোচনা অবশ্যই করবেন। ধন্যবাদ সবাই কে!

SEO কি, কেন শিখবেন এবং বাংলাদেশে এর ভবিষ্যৎ! (+ফ্রী কিছু ই-বুক)

• SEO কিঃ

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে ধারাবাহিক পরিবর্তনের মধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের উন্নতি সাধন করা। এই পরিবর্তনগুলো হয়তো আলাদা ভাবে চোখে পড়বে না কিন্তু সামগ্রিকভাবে এর মাধ্যমে একটি সাইটের ব্রাউজিং এর স্বাচ্ছন্দবোধ অনেকাংশে বেড়ে যায় এবং অর্গানিক বা স্বাভাবিক সার্চ রেজাল্টে সাইটকে শীর্ষ অবস্থানের দিকে নিয়ে যায়। সাবাই চায় তার ব্লগ বা ওয়েব সাইট গুগল কিংবা বিং-য়ের সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজ (SERP)-এর সবচেয়ে উপরের দিকে রাখতে। আর এই জন্যই ইফেক্টিভ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করতে হয় যেন সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট বা এর কনটেন্টকে গুলোকে দ্রুত খুঁজে পায় এবং সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজ (SERP) এর প্রথমদিকে প্রদর্শন করতে পারে।

• কেন শিখবেন SEO:

http://sphotos-b.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-prn1/q71/s720x720/535904_459516430823416_593330950_n.jpgSEO, এস.ই.ও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। ২০১২ তে বাংলাদেশ এই SEO এর উপর কাজ করে ফ্রিলেন্সার.কম এ বিশ্বের মধ্যে প্রথম হয়েছে এবং অনলাইন মার্কেট প্লেসে যতগুলা কাজ রয়েছে তার মধ্যে এই SEO এর মাধ্যমেই বাংলাদেশের ফ্রিলেন্সাররা সবচেয়ে বেশি আয় করেছে। আরও মজার হচ্ছে অনলাইন জুরে শুধুমাত্র SEO এর কাজই ৬৫% থেকে ৭০%। তাই অনলাইন মার্কেট নিয়ে এসইও-এর ব্যাপারে আশা করি এর বেশী কিছুই বলার প্রয়োজন নেই।

• SEO শিখতে কি প্রয়োজনঃ

আপনিও হয়ে উঠতে পারেন একজন আদর্শ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অ্যাডইজার বা SEO এক্সপার্ট। এস.ই.ও. এক্সপার্ট হতে আপনার কোন প্রকার অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। শুধুই প্রয়োজন গাইড লাইন আর ধারাবাহিক প্রচেস্টা।

• বাংলাদেশে এর ভবিষ্যৎঃ

অনলাইন মার্কেটপ্লেস আর আনতর্জাতিক মার্কেটে SEO এক্সপার্ট-এর চাহিদার কথা অনেক হয়েছে এবার আসুন, ছোট একটা উধাহরনের মাধ্যমেই দেখেনিই বাংলাদেশে SEO এক্সপার্ট-এর চাহিদা। অনেকই হয়ত বা ভাবে আমাদের দেশে SEO নিয়ে এখন পর্যন্ত খুব বেশি কাজের ক্ষেত্র নেই। কিন্তু একটু ক্ষেয়াল করে দেখেন বিক্রয়.কম যারা শুধুমাত্র তেদের সাইটের প্রচারের জন্য প্রতিদিন লক্ষ টাকা ব্যায় করছে। কারন আমরা জানি এই প্রচারই হচ্ছে প্রসার, আর প্রচার কেই আমরা বলতে পারি সহজ ভাবে বলতে পারি SEO! অর্থাৎ এই SEO এর জন্য বর্তামানে বাংলাদেশে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা লক্ষ টাকা ব্যায় করতে প্রস্তুত। ফলে একটু ক্ষেয়াল করলেই বুঝা যাচ্ছে SEO এক্সপার্ট-এর চাহিদা আমাদের দেশেও দিন দিন বাড়ছে।
আরেকটি উদাহরন দেই, বাংলাদেশে ঠিক কতগুলা অনলাইন নিউজ মাধ্যমের নামের মধ্যে “…news24″ আছে আপনি কি জানেন? কমকরে হলেও ২৭-৩০ টার অধিক! এতো গেলো “…news24″ এর গল্প এবার আসেন “….bd” আছে এমন সাইটের অনলাইন নিউজ মাধ্যমের সংখ্যা তহলে কত হবে? কেন তুলে আনছি এই “…news24″ এর গল্প? ধরেন না গতকাল আপনি হটাৎ একটি “…নিউজ২৪”-এ ফটাৎ করে ঢুকে পরছেন কিন্তু আজ বসে সেই “…নিউজ২৪” আর পাচ্ছেন না, গুগোল মামা বারবার চলে যাচ্ছে অন্য “…নিউজ২৪”এ? এর মুল কারনই হচ্ছে ফটাৎ করে ঢুকে পরা গতকালকের “…নিউজ২৪” এর চেয়ে আজকের বারবার চলে আসা “…নিউজ২৪” টি SEO-এর দিকে বেশি গুরত্ত দিয়েছেন। অর্থাৎ বাকিরাও খুব দ্রুতই SEO-এর উপর গুরত্ত দিবে এবং একজন এস.ই.ও. SEO এক্সপার্ট খুঁজবে। অর্থাৎ বাংলাদেশে বড় আঁকারে SEO অ্যাডইজার, স্পেশালিষ্ট, এক্সপার্ট যাই বলেন না কেন এর প্রয়োজন দেখা দিবে।

• SEO এক্সপার্ট হতে কি কি জানতে হবেঃ

SEO কি, কেন শিখবেন এবং বাংলাদেশে এর ভবিষ্যৎ! (+ফ্রী কিছু ই-বুক)
• এসইও কি, এসইও কতপ্রকার?
• কী ওয়ার্ড রিসার্চ কি, কিভাবে বের করবেন ফোকাস কী-ওয়ার্ড।
• অন পেজ অপটিমাইজেশন এর সকল খুঁটিনাটি বিষয়।
• মেটা ট্যাগ এক্সপেরিমেন্ট, টাইটেল।
• কন্টেন্ট রাইটিং মেথর্ড, কী-ওয়ার্ড রিপ্লেসমেন্ট, সাইট ম্যাপ।
• সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী সাইট মেকিং, ওয়েবসাইট এসইও স্ট্রাকচার মেকিং ।
• অফ পেজ এর বিভিন্ন কলাকৌশল।
• সকল প্রয়োজনীয় টুলস (গুগল এনালাইটিক্স) এর ব্যবহার।
• বেস্ট ব্যাকলিংক ফাইন্ডিং টেকনিক, Web 2.0 তৈরি ।
• ফোরাম ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং।
• আর.এস.এস সাবমিশন, প্রেস রিলিজ সাবমিশন, ডিরেক্টরি সাবমিশন।
• লিংক হুইল, গেস্ট ব্লগিং, , আর্টিকেল মার্কেটিং।
SEO কি, কেন শিখবেন এবং বাংলাদেশে এর ভবিষ্যৎ! (+ফ্রী কিছু ই-বুক)• বেস্ট ব্যাকলিংক ফাইন্ডিং টেকনিক, Web 2.0 তৈরি।
• পীড়ামিড লিংক (সদ্য আবিষ্কৃত SEO টেকনিক! )।
• ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগার ওয়েবসাইট এর সকল এসইও প্লাগিন এর ব্যবহার।
• ভিবন্ন ওয়েব অ্যানালাইজার সেট-আপ এবং মেইনটেন করা।
• এসইও টাইটেল ট্যাগ, এসইও মেটাট্যাগ, এসইও এংকরট্যাগ।
• সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ওয়েবসাইটের URL রেজিট্রেশন করা।
• গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস বানানো এবং এর ব্যবহার পদ্দতি।
• ইমেজ/ছবি, ভিডিও বা অডিও সার্চের জন্য আলাদা SEO টিপস।
• অ্যালেক্সা টুলবার, লিংক, র‍্যাংক সহ ইত্যাদি বিষয়।

ফ্রী কিছু অনালাইন ই-বুকঃ

বইয়ের নাম

লেখকের নাম/ভাষা

ডাউনলোড লিংক

পৃষ্ঠা / ফরমেট

The Art of SEO
English / Eric Enge, Stephan Spencer, Rand Fishkin, Jessie C. Stricchiola
Download Link
608 / pdf
The Basics of Search Engine Optimisation
David Burdon / English
Download Link
20 / pdf
A2Y SEO Tips (বাংলা)
Bangla / Mehedi Menafa
Download Link
pdf




• SEO কোর্স এবং বার্তি কিছু কথাঃ

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক আইটি ফার্মই ভিবিন্ন আইটি বিষয়ক, ফ্রিল্যান্সিং বা SEO এর উপর কর্মশালা করে থাকে। এদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আর.আর. ফাউন্ডেশন। বেশীর ভাগ প্রতিষ্ঠানই SEO কোর্সের জন্য ৭,০০০ টাকা থেকে ১৬,০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। তবে প্রায় সকল প্রতিষ্ঠানই মাঝে মধ্যেই ভিবিন্ন ছাড় দেয়। একটু চোখ কান খুলা রাখলেই জানতে পারবেন। ধান্মন্ডির একটি আইটি ফার্ম দু-মাস ব্যাপী মাত্র ১,০০০ টাকার মাধ্যমে একটি SEO এবং ফ্রিল্যান্সিং এর উপর কোর্সের আয়োজন করতে যাচ্ছে (লিংক-ক্লিক)। এছাড়াও ঈদের পর চিটাগাং-এর বদ্দার হাটে ঢাকার কয়েকটি আইটি ফার্ম যৌথ ভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে একটি SEO কোর্সের। আমি তথ্য সংগ্রহ করতে পারলে মন্তব্য জানাব।

• পরিশেষে যা বলবঃ

যে যাই করেন, কোঁথায় ভর্তি হোন আর নাই বা হোন ওডেস্ক, ফ্রীল্যান্সার এবং ঈ-ল্যান্সে অন্তত একটা অ্যাকাঊন্ট ওপেন করেন এবং বসে না থেকে একটু চাপাচাপি করে দেখেন। সাথে ফাইবারেও অ্যাকাঊন্ট করতে পারেন। ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন।
আমাকে ফেইসবুক এ পেতে এখানে ক্লিক করুন, অথবা আমার ফ্যানপেজ দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।

BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট (এক্সপার্টসার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অ্যাডইজার)

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না এস.ই.ও. (SEO) নিয়ে আমাদের দেশের প্রফেশানাল , স্টুডেন্ট সহ সবার মাঝে বেশ আগ্রহ । সোশ্যাল মিডিয়াতে বিশেষ করে ফেইসবুকে এস.ই.ও. (SEO) কে ঘিরে অনেকগুলো গ্রুপ তৈরি হয়ে উঠেছে। সেখানে অনেক আলোচনা হয় । প্রায় নির্দিষ্ট একটা বিষয়কে ঘিরে । অনেকে শেখার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার কথা বলে থাকেন। সবার সমস্যা এক হয় না । অনেকে বলে থাকেন তারা গাইডলাইন পাচ্ছেন না, অনেকে বলেন কোথা থেকে শুরু করবেন তা বুঝতে পাচ্ছেন না । অনেকে আবার ক্যারিয়ার হিসাবে এস.ই.ও. (SEO) কেমন হবে বুঝতে পাচ্ছেন না । এমন কিছু সমস্যার সমাধান করতেই BLACK iz এর একটি কল্যান মুলক উদ্যগ "BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট"।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে ধারাবাহিক পরিবর্তনের মধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের উন্নতি সাধন করা। এই পরিবর্তনগুলো হয়তো আলাদা ভাবে চোখে পড়বে না কিন্তু সামগ্রিকভাবে এর মাধ্যমে একটি সাইটেরমাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড 2003/ 2007/2010/2013ব্রাউজিং এর স্বাচ্ছন্দবোধ অনেকাংশে বেড়ে যায় এবং অর্গানিক বা স্বাভাবিক সার্চ রেজাল্টে সাইটকে শীর্ষ অবস্থানের দিকে নিয়ে যায়। সাবাই চায় তার ব্লগ বা ওয়েব সাইট গুগল কিংবা বিং-য়ের সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজ (SERP)-এর সবচেয়ে উপরের দিকে রাখতে। আর এই জন্যই ইফেক্টিভ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করতে হয় যেন সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট বা এর কনটেন্টকে গুলোকে দ্রুত খুঁজে পায় এবং সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজ (SERP) এর প্রথমদিকে প্রদর্শন করতে পারে।

"BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট" এ অংশগ্রহন করে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন আদর্শ এক্সপার্ট সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অ্যাডইজার। দিন দিন ওয়েব-সাইটের জন্য অপরিহার্য একটি বিষয় হয়ে উঠছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। "BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট" এ অংশগ্রহন করতে আপনার কোন প্রকার ফি কিংবা অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই।
.
এস.ই.ও. (SEO) দিয়ে কি হবে ?
কি হয় না এস.ই.ও. (SEO) দিয়ে ? এস.ই.ও. (SEO) বর্তমান সময়ের এমন একটি বিষয় যেটা Freelancer দের কাছে Hot Cake এর মতো । সম্পূর্ণ ভার্চূয়াল অফিস স্টাইলে কাজ করে ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে এবং খুব দ্রুততার সাথে অর্থ উপার্জন করা যায় একমাত্র এস.ই.ও. (SEO) এর কাজ করে । অনলাইনে এস.ই.ও. (SEO) এর কাজ করার জন্য রয়েছে অনেক গুলো মা্র্কেট প্লেস । যেমন :


• www.freelancer.com
• www.odesk.com
• www.elance.com
• www.scriptlance.com
.

সহ আরও অনেক মার্কেট প্লেস । যে মা্র্কেট প্লেস গুলোতে কাজ করে সহজেই উপার্জন করতে পারি বিপুল পরিমান অর্থ । তাই আর দেরি না করে আজই "BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট" -এ (অনলাইন ফোর্মের মাধ্যমে) রেজিস্টার করে নিন। কোর্সটি সম্পুর্ন ফ্রী তবে প্রত্যেককে মাত্র ৫০০ টাকা দিয়ে রেজিস্টার করতে হবে।

╚ BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট প্রশিক্ষণ টি যাদের জন্যঃ

• যারা ফ্রিল্যান্সিং নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান ।।
• যাদের এস.ই.ও. (SEO) নিয়ে বিজনেস করার চিন্তাভাবনা আছে অথবা ফ্রিল্যান্সিং করতে চান ।
• যারা এস.ই.ও. (SEO) সম্পর্কে কিছুই জানেন না কিন্তু , জানার আগ্রহ আছে, ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ।
• যাদের এস.ই.ও. (SEO) সম্পর্কে ইতিমধ্যে প্রাথমিক ধারণা আছে, কিন্তু কিভাবে কাজ করবেন বুঝতে পারছেন না ।
• গ্রুপ ভিত্তিক এস.ই.ও. (SEO) করে যারা এগুতে চান ।।

.
মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড 2003/ 2007/2010/2013
কোর্সটিতে যা থাকবেঃ


ক্লাশ শুরুঃ  ১০ জুলাই ২০১৩
• এসইও কি, এসইও কতপ্রকার, এসইও টাইটেল ট্যাগ, এসইও মেটাট্যাগ, এসইও এংকরট্যাগ
• সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ওয়েবসাইটের ইউ আর এল (URL) রেজিট্রেশন করা।
• গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস বানানো এবং এর ব্যবহার পদ্দতি।
• ভিবন্ন ওয়েব অ্যানালাইজার সেট-আপ এবং মেইনটেন করা।
• অ্যালেক্সা টুলবার, লিংক, র‍্যাংক সহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা।
• একটি ওয়েব-সাইটের A to Z এস.ই.ও. (SEO)সমাধান।
• ইমেজ/ছবি, ভিডিও বা অডিও সার্চের জন্য আলাদা এস.ই.ও. (SEO) টিপস।

"BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট" সম্পর্কে অন্যান্য তথ্যঃ

• মোট ক্লাস সংখ্যা ১২-১৬টি ।
• কোর্সের মেয়াদ ১.৫-২ মাস ।
• কোর্স শুরু প্রতি মাসের ১ম শুক্রবার-শনিবার ।
• সময় বিকাল ২.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৪ টা পর্যন্ত। 
• স্থান (ধানমন্ডি ৮ নং) কলাবাগান বাসস্টান্ড ।
"BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট" প্রশিক্ষন নিতে আগ্রহিদের করনীয়ঃ ২ মাসের কোর্সে শাপ্তহিক ক্লাস ২টা করে সম্পূর্ণ কোর্সে ক্লাস ১২টি । যেহেতু কোর্সটি সম্পূর্ণ ফ্রি ( ৫০০টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আর কোন খরচ নেই ) করানো হচ্ছে তাই মাসে মাত্র ২ টা ব্যাচ নির্ধারণ করা হয়েছে । এক এক ব্যাচে ১৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী নেয়া হবে না ।

"BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট" সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ফোন- করুন ০১৭১৭৬৯৫৬৩১, ০১৬৭১৫০২৩৯৬, ০১৯১১৭৭১৩৯৮,০১৬১১৭৭২৩৯৮, ০১৯১৮৭৫৬২২২ । ।


BLACK iz এস.ই.ও. এক্সপার্ট (এক্সপার্টসার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অ্যাডইজার)


 

Blogroll

Most Reading

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Tags